গ্রীষ্মকালে আমের মিষ্টি সুবাস আর রসাল স্বাদ কার না পছন্দ! কিন্তু বর্তমানে বাজারে প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের চেয়ে কেমিক্যাল (যেমন কার্বাইড) দিয়ে পাকানো আমের সংখ্যাই বেশি দেখা যায়। এই ক্ষতিকর রাসায়নিক যুক্ত আম আমাদের লিভার ও কিডনির জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। আজ আমরা জানবো কীভাবে খুব সহজেই প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম চিনে নিতে পারবেন:
১. সুবাস পরীক্ষা করুন: প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের বোঁটার কাছে চমৎকার মিষ্টি সুবাস থাকে। কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমে কোনো সুবাস থাকে না বা হালকা ওষুধের মতো গন্ধ পাওয়া যায়।
২. আমের গায়ের রঙ: প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের রঙে একটা অসঙ্গতি থাকে। সম্পূর্ণ আমটি একসাথে সমানভাবে হলুদ হবে না, কিছু অংশ সবুজ বা লালচে হতে পারে। অন্যদিকে কেমিক্যালে পাকা আম দেখতে সম্পূর্ণ এক টকটকে হলুদ রঙের হয়।
৩. চামড়া ও ছাল: প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের চামড়া কিছুটা কুঁচকানো বা নরম হতে পারে। কিন্তু কার্বাইডে পাকানো আম বাইরে থেকে বেশ টানটান ও অতিরিক্ত মসৃণ দেখাবে।
৪. আমের ভেতরের রসাল ভাব: প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের ভেতরে কোনো শক্ত অংশ থাকে না এবং প্রতি টুকরো সমান মিষ্টি ও রসাল হয়। কিন্তু জোর করে পাকানো আমের ভেতরের অংশ টক বা পানসে থেকে যায়।
৫. পানিতে আম ভাসানো: আম কিনে আনার পর পানির বালতিতে ভিজিয়ে রাখুন। আম যদি পানিতে ডুবে যায় তবে বুঝবেন এটি প্রাকৃতিকভাবে পাকা। আর যদি ভেসে থাকে, তবে নিশ্চিত এটি কৃত্রিমভাবে পাকানো হয়েছে।
সুস্থ থাকতে সবসময় বিশ্বস্ত ও সরাসরি বাগান থেকে সংগৃহীত অর্গানিক আম অর্ডার করুন।
